একজন অবিবাহিত দ্বীনদার পুরুষের জন্য যতটা না ভয়ংকর ফিৎনা একটা বেপর্দা নারী, তারচেয়ে বেশি ভয়ংকর ফিৎনা একটা পর্দাশীল নারী।

41
একজন অবিবাহিত দ্বীনদার পুরুষের জন্য যতটা না ভয়ংকর ফিৎনা একটা বেপর্দা নারী, তারচেয়ে বেশি ভয়ংকর ফিৎনা একটা পর্দাশীল নারী।
Spread the love

একজন অবিবাহিত দ্বীনদার পুরুষের জন্য যতটা না ভয়ংকর ফিৎনা একটা বেপর্দা নারী, তারচেয়ে বেশি ভয়ংকর ফিৎনা একটা পর্দাশীল নারী। একটা পর্দাশীল নারীর নিকাবের বাহিরের ঐ দুটি চোখ একটা প্রেক্টিসিং দ্বীনদার ভাইয়ের জন্য, একটা অর্ধ-উলঙ্গ নারীর চেয়েও বড় ফিৎনা।
– সাধারণভাবে একজন দ্বীনদার ভাইয়ের সামনে দিয়ে কোনো বেপর্দা নারী গেলে সে তার চোখগুলো নিচের দিকে নামিয়ে নেয়। লানত দিতে থাকে তাকে। কিন্তু একটা পর্দাশীল নারী সামনে দিয়ে গেলে, সে ফ্যান্টাসিতে ভোগে। ভাবতে থাকে তার সঙ্গীও একদিন এমনভাবে পর্দা করবে। সে এমনই একটা জীবন সঙ্গী তার জীবনে চায়। এই যে ভাবনাটা, এটাই একটা ফিৎনা। এই ভাবনা থেকেই শয়তান খুব সুক্ষ্মভাবে একসময় অন্তরের যিনাহ’তে রুপান্তর করে তুলে। যা আমরা সাধারণত বুঝতে পারি না।

– অথচ, নারীর পর্দা নিয়ে সবাই ব্যস্ত, পুরুষের পর্দার ব্যাপারে কয়জন সতর্ক? আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা নারীর পর্দা সংক্রান্ত আয়াতের পূর্বে পুরুষের পর্দার কথা বলেছেন। তাই পুরুষেরও দৃষ্টির পর্দা রয়েছে। পুরুষেরও দৃষ্টির হেফাযত করতে হবে, শুধু করতে হবে বললে ভুল হবে। কারণ এটা ফরজ। মানে অবশ্যই করতে হবে।
▪️আল্লাহ বলেন, “মুমিন পুরুষদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে সংযত করে এবং তাদের লজ্জাস্থানের হেফাযত করে; এটাই তাদের জন্য অধিক পবিত্র। তারা যা করে নিশ্চয় আল্লাহ সে বিষয়ে সম্যক অবহিত।” (সূরা আন-নূর: ৩০);

– আমাদের সবার জনপ্রিয় লেখক ‘আরিফ আজাদ’ ভাই সুন্দর একটি কথা বলেছেন- “রাস্তায় কোনো বেপর্দা নারীর দিকে তাকিয়ে ‘সে কেনো পর্দা করলো না’ এই ভেবে ব্যতিগ্রস্ত হওয়ার আগে এটা ভাবুন যে, আপনিও ‘দৃষ্টির হেফাযত’ নামক একখানা ফরজ ছেড়ে দিয়ে অন্যের ফরজ পালন নিয়ে অস্থির হয়ে গেছেন।”
– তাছাড়া আমাদের পূর্ববর্তী ইমামগণ দৃষ্টির হেফাজত সম্পর্কে অনেক কথা বলে গেছেন। তাই ভাই! আমাদের সর্বদা দৃষ্টির হেফাজত করতে হবে। হোক সে পর্দানশীন কিংবা বেপর্দা নারী। তাছাড়া পুরুষদের জন্য নারী ফিৎনা সম্পর্কে ‘রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের হুশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, “পুরুষের জন্য নারীর চেয়ে অধিক ভয়ানক আর কোনো ফিৎনা আমি রেখে গেলাম না।” (সহীহ বুখারী: ৫০৯৬);
– আল্লাহ আমাদের চক্ষুদ্বয় গুলোকে শীতল রাখার তৌফিক দান করুন। আমাদের চোখগুলোকে হেফাযতে রাখার তৌফিক দান করুন। আমাদের যুবক ভাইগুলোকে বুঝার তৌফিক দান করুন। আমাদের পুরুষ জাতিকে, নারীদের ভয়ংকর ফিৎনা থেকে রক্ষা করুন। আমীন!
|| দৃষ্টির হেফাজত ||
– আলমগীর আল হাসান`

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here