তারাবিতে মসজিদে জায়গা নেই, রাস্তায় মুসল্লি

33
Spread the love

রাজধানীর মিরপুরের আকবর কমপ্লেক্স জামে মসজিদ। বুধবার (১৪ এপ্রিল) তারাবির নামাজে মুসল্লিতে কানায় কানায় পূর্ণ ছিল এই মসজিদ। জায়গা না পেয়ে শতাধিক মুসল্লিকে নামাজ পড়তে হয়েছে মসজিদের বাইরের রাস্তায়। শুধু এই মসজিদেই নয়, রাজধানীর অনেক মসজিদেরই একই চিত্র। রজমানে তারাবির নামাজে অংশ নিতে মুসল্লিদের  উপচে পড়া ভিড় ছিল।

করোনার সংক্রমণ রোধে কঠোর লকডাউনে ধর্ম মন্ত্রণালয় নির্দেশনা দিলেও তা মানেননি কেউ। এমনকি সরকারের এসব আদেশ বাস্তবায়নে মসজিদ কমিটি, ইমাম, মুয়াজ্জিনদের নির্দেশনা দেওয়া হলেও তার কোনও প্রতিফলন দেখা যায়নি। গত বছর রমজানে মসজিদে মুসল্লি প্রবেশের বিধিনিষেধ মানা হলেও  এবার লকডাউন শুরুর দিন থেকেই তা উপেক্ষিত। সরকারের নির্দেশনা ছিল— মসজিদে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ এবং তারাবির নামাজে খতিব, ইমাম, হাফেজ, মুয়াজ্জিন ও খাদিমসহ সর্বোচ্চ ২০ জন মুসল্লি অংশগ্রহণ করতে পারবেন।  ২০ জনের উপস্থিতি তো  মানাই হয়নি, এমনকি মাস্কবিহীন মুসল্লিদের দেখা গেছে প্রায় সব মসজিদেই। তবে করোনাকালে দূরত্ব মেনে নামাজে দাঁড়ানোর নিয়ম শুধু মানা হয় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে।

রাজধানীর মিরপুর-১ নম্বরে পাইকপাড়া সরকারি স্টাফ কোয়ার্টার জামে মসজিদ। এই মসজিদের বেশিরভাগ মুসল্লিই আশেপাশে বসবাসকারী সরকারি কর্মচারী। সেখানেও উপেক্ষিত হয়েছে সরকারি নির্দেশনা। শুধু তারাবির নামাজই নয়, অন্যান্য ওয়াক্তের নামাজেও দেখা গেছে মানা হয়নি সরকার ঘোষিত বিধি-নিষেধ।

মঙ্গলবার (১৩ এপ্রিল) সন্ধ্যায় দেশের আকাশে হিজরি রমজান মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ায় পবিত্র রমজান শুরু হয়েছে বুধবার (১৪ এপ্রিল)। এ কারণেই মঙ্গলবার  এশার নামাজের পর থেকে শুরু হয়েছে তারাবির নামাজ। প্রথম তারাবির নামাজেও  মসজিদগুলোতে ছিল মুসল্লিদের উপচে পড়া ভিড়।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় যথাযথ সুরক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ১৪ এপ্রিল হতে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া  পর্যন্ত মসজিদে নামাজ আদায়ে বিশেষ নির্দেশনা জারি করে। যদিও জুমার নামাজে  মুসল্লিদের সংখ্যা নির্ধারণ করা হয়নি। তবে জুমার নামাজে সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে মুসল্লিদের অংশ গ্রহণ করতে হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here